Stay Hungry, Stay Folish. - Steve Jobs

TemplateSilk

Video of the Day

Latest Post

0

BrainF*ck Programming Language


[ This program prints "Hello World!" and a newline to the screen, its length is 106 active command characters [it is not the shortest. ]

This loop is a "comment loop", it's a simple way of adding a comment to a BF program such that you don't have to worry about any command characters. Any ".", ",", "+", "-", "<" and ">" characters are simply ignored, the "[" and "]" characters just have to be balanced. 

]
+++++ +++               Set Cell #0 to 8
[
    >++++               Add 4 to Cell #1; this will always set Cell #1 to 4
    [                   as the cell will be cleared by the loop
        >++             Add 2 to Cell #2
        >+++            Add 3 to Cell #3
        >+++            Add 3 to Cell #4
        >+              Add 1 to Cell #5
        <<<<-           Decrement the loop counter in Cell #1
    ]                   Loop till Cell #1 is zero; number of iterations is 4
    >+                  Add 1 to Cell #2
    >+                  Add 1 to Cell #3
    >-                  Subtract 1 from Cell #4
    >>+                 Add 1 to Cell #6
    [<]                 Move back to the first zero cell you find; this will
                        be Cell #1 which was cleared by the previous loop
    <-                  Decrement the loop Counter in Cell #0
]                       Loop till Cell #0 is zero; number of iterations is 8

The result of this is:
Cell No :   0   1   2   3   4   5   6
Contents:   0   0  72 104  88  32   8
Pointer :   ^

>>.                     Cell #2 has value 72 which is 'H'
>---.                   Subtract 3 from Cell #3 to get 101 which is 'e'
+++++++..+++.           Likewise for 'llo' from Cell #3
>>.                     Cell #5 is 32 for the space
<-.                     Subtract 1 from Cell #4 for 87 to give a 'W'
<.                      Cell #3 was set to 'o' from the end of 'Hello'
+++.------.--------.    Cell #3 for 'rl' and 'd'
>>+.                    Add 1 to Cell #5 gives us an exclamation point
>++.                    And finally a newline from Cell #6

Learn more directly, visit here - http://www.bf.doleczek.pl/




0

গ্রামের বাড়িতে একদিন



বাড়ি আমাদের। আমার বয়সী ও ছোট বড়ো চাচাতো ভাই বোন আছে ৭ জন। পাড়ায় আরো কয়েকজন ছেলে মেয়ে আছে। বাড়ি গেলেই ওরা আমার সঙ্গী হয়ে যায়। আনন্দই আনন্দ।

আমার ছোট চাচার মেয়ে তানজিয়া। ক্লাস এইটে পড়ে। খুব স্মার্ট। খাঁটি গ্রামের ভাষায় কথা বলে। সে আঠার মতো লেগে থাকবে আমার সাথে। তার কথা শুনলে হাসি পায়, মজাও লাগে। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখি আমি।

বিকেল বেলা। তানজিয়া দৌড়ে এসে বলল, ‘শিশির ভাইয়া লাইগ্যা গেছে গা।’
‘কী লাইগ্যা গেছে রে?’
‘কাইজ্জা। হুনবানি। হুনলে লও যাই। হ্যারা ক্যামনে যে কাইজ্জা করে দেখলে বুঝবা। হোমানে বকাবকি করে। বকা হুনলে আক্কইরা থাকবা।’
আমি বললাম, ‘হ চল যাই, কাইজা হুইনা আক্কইরা থাহি গা।’

শরমে শরমে গেলাম। একটু দূরে দাঁড়িয়ে ঝগড়া দেখছি। পুবে একটা ঘর আর পশ্চিমে একটা ঘর। মাঝখানে সাদা একটা উঠোন। দুই ভাইয়ের দুই বউ। এরা মাথার আঁচল কোমরে পেঁচিয়ে ঝগড়া করছে। একজনের হাতে একটা পাতিল আরেক জনের হাতে একটা ঝাড়–। বকাবকির সময় হাতের ঝাড়–-পাতিলও জানি কেমন কথা বলে। লেগেছে কাইজা ঠিকমতো। আশেপাশে কয়েকজন দাঁড়িয়ে ঝগড়া দেখছে।

এক মহিলা ঝগড়া ফেলে আমার সামনে এসে কেঁদে ফেলল। সে বলছে, ‘ভূঁইয়ার নাতী আইছেন বালা অইছে। বিচার কইরা দিয়া যাইন। হোনছেননি কামাইল্যার মায় যে আমারে ইত্তা কি কয়? আমার লগে আয়েন আর খালি হোনেন, কি বকাগুলান বকলো আমারে। কামাইল্যার মায় যেই বকাগুলান বকলো এর একটা বকা আমার মুখ থাইকা জীবনেও বারইব না।’ আঁচলে চোখ মুছলো মহিলাটি।

তানজিয়া ধমক মেরে বলল, ‘আমরা বিচার করতে আইছি কোনো? ঝগড়া হুনতে আইছি। যান, হোমানে ঝগড়া করেন গিয়া। আফনে বকা মারতে পারেন না কামালের মারে?’
মহিলাটি জিহ্বায় কামড় দিয়ে বলে, ‘এই যে লোকগুলি খাঁড়ইয়া কাইজ্জা হুনতাছে, কেউনি কইতে পারবে আমি একটা খারাপ কতা কইছি?’

এক মহিলা তার কথা শুনে বিছার মতো লাফিয়ে উঠল। সে চোখ-মুখ চোখা করে বলল, ‘না, এতক্ষন না আফনে খালি বকবক করছেন। আমরা এহানে খাড়াইয়া না খালি আফনের বকবক হুনতে আছি। এহন সাধু সাজছে, আস্তা মিথ্যুক।’

মহিলাটি আমার হাতে ধরে টেনে টেনে বলছে, ‘আমার ঘরে আয়েন।’ না করতে করতে তার ছোট বারান্দায় গিয়ে থামলাম। মহিলা ঘরের ভেতরে গেল। একটা জলচকি আঁচলে মুছে ফু দিতে দিতে বলল, ‘চিহার নাই গা, কষ্ট কইরা জলচহিতেই বহেন। চাইরটা মুড়ি অইলেও মুখে দিতে অইব।’
দুই মহিলা যার যার মতো করে কাজ করছে আবার আরেঠারে কথাও বলছে। বকাবকি আর হচ্ছে না দেখে তানজিয়া আফছুছ করে বলল, ‘আয় হায়, শিশির ভাইয়া তোমারে কাইজ্জা হোনাইতে নিয়া আইছিলাম, এহন দেহি কাইজ্জা অক্করে পোঁতাইয়া গেছে গা।’

মহিলা একটা বাটিতে মুড়ি আর খেজুরের গুড় এনে দিতে দিতে বলল, ‘নিজের হাতে ভাজা মুড়ি। খাইয়া খালি দেহেন, কী যে মজা। খাইন।’
আমরা একটা দুটো করে মুখে দিচ্ছি। মহিলা মাথায় কাপড় টেনে ঘোমটা দিয়ে আমার সামনে এসে ভালো মানুষটি হয়ে বসল। তারপর ওই মহিলার বিরুদ্ধে রাজ্যের বদনাম করতে লাগল। কিছু কথা বলে জোরে জোরে, কিছু বলে ফিসফিস করে।

তানজিয়া বলে, ‘চলো যাইগা, কাইজ্জা মনে অয় আর অইত না, অনাফুত আইছি।’ বিদায় নিয়ে উঠোন দিয়ে চলে আসছি অমনি অপর ঝগড়াটে মহিলা দু’হাত বাড়িয়ে সামনে এসে দাঁড়াল। বলল, ‘কই যাইন? আমরা কি মানুষ না? হের ঘরে বেড়াইছেন আর আমার ঘরে যাইবেন না- এইডা ত অইবে না। আমি ওই আদেল্লার মতো হুগনা মুড়ি খাওয়ামু না, ছাগলের হাঞ্জো (টাটকা) দুধ খাওয়ামু।’ বলেই মহিলা আমাদের বসিয়ে রেখে একটা ছোট ঘরে গেল। একটা ছাগল টেনে এনে খুঁটিতে বাঁধলো। ছাগলের তলে একটা বাটি ধরে দুধ দোহাতে লাগল। একটু পরে একটা ছাগলছানা লেজ নেড়ে ম্যা ম্যা করে ছুটে এসে দুধ খেতে লাগল। একটু খাওয়ার পরেই মহিলা ছানাটির মুখে থাপ্পড় মেরে সরিয়ে দিল। একটি উদোম শিশু ছানাটিকে কোলে নিয়ে আদর করছে। মহিলা আবার দুধ দোহাতে লাগল। আমি অবাক হয়ে দেখছি আর ভাবছি, ‘এই দুধ নি আবার আমাকে খাওয়ায়!’

তানজিয়া আমার অবস্থা দেখে কানে কানে বলল, ‘শিশির ভাইয়া, দেইখ্খনে, এহন এই ছাগলের দুধ তোমারে খাওয়াইবে। যেই বয় (গন্ধ) ছাগলের দুধে!’

আমার পেট মোচড় দিয়ে উঠলো। ‘আমি এই দুধ খাব না।’
তানজিয়া বলল, ‘খাইবানা? আইয়ো ত পলাইয়া যাইগা।’
আমি বললাম, ‘ধ্যাত, পলায় আবার ক্যামনে, ফাজিল।’
সে বলে, ‘তাইলে এই ছাগলের দুধ খাইতে অইব কইলাম।’
মহিলা চুলায় দুধ বসাল।

‘আমরা গরিব অইতে পারি কিন্তুক ভূঁইয়ার নাতীরে যেইডা মোল্লয় হেইডা দিয়া সমাদর করতাতাম না।  গুড়মুড়ি কোনো সমাদরের জিনিস অইল? পেটকামড়ানির যোগাড়।’ এসব বলতে বলতে মহিলা দুটি গ্লাসে ছাগলের গরম দুধ এনে সামনে ধরল। তানজিয়া নিল কিন্তু আমি হাত-পা ছুড়ে সমানে না করছি। আর বলছি, ‘আমি গরুর দুধ খাই, ছাগলের দুধ খাই না।’

মহিলা বলল, ‘ছাগলের দুধ পাইবেন কই? খাইয়া খালি দেহেন, কী জিনিস, গরুর দুধের বাবা।’
আমি হাতে গ্লাস নিয়ে তানজিয়ার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তানজিয়া কানে কানে বলল, ‘নাকে চিপ দিয়া ধইরে বায়ে বায়ে খাইয়ালাও। এই মহিলা যেই ঝগরাইট্টা, না খাইলে দাদীর কাছে এক্ষণ গিয়ে বিচার দিবে। পরে?’
হঠাৎ আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। মুখে হাসি এনে বললাম, ‘অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক খুশি হয়েছি টাটকা দুধ পেয়ে। মাত্র মুড়িগুড় খেলাম তো তাই এ দুধ এখন খাবো না। নিয়ে যাই, বাড়ি গিয়ে খাবো নে।’

মহিলা না করল না। সে খুশিতে পাতিলের বাকি দুধটুকু এনে দিল। আমাদের এগিয়ে দিতে দিতে আমার হাতে ধরে বলল, ‘ভূঁইয়ান্নিকে কইয়েন, কামালের মায় ছাগলের হাঞ্জো দুধ দিয়া দিছে। খাইয়া দেইক্কেন-বাঘের শক্তি!’


0

কিভাবে ভালবাসতে হয় ? How to love?

“আমি তোমার জন্য যতই করি তাও তুমি কখনোই খুশি হওনা । কি চাও টা কি তুমি আমার কাছে ? তোমার কাছে তো আমার জন্য টাইমই নেই , সবসময় কি এতো ব্যস্ত থাকো তুমি ?”




বেশির ভাগ রিলেশনেই কিন্তু ভালবাসার অভাবে নয় বরং দূজন দুজনার ভালবাসা অনুভব না করার কারণে শেষ হয়ে যায় । দুজন মানুষের সম্পর্ক কখনো এক থাকেনা । দিন দিন খারাপ হতে থাকে আর নাহলে ভাল হতে থাকে ।

যদি কোনো মানুষের কাছে এই পৃথিবীর সবকিছু থাকে কিন্তু শুধু তার প্রিয়জনদের ভালবাসা না থাকে তাহলে সেই মানুষটাই পৃ্থিবীর সব থেকে দুঃখীদের একজন । এমন অনেক স্বামী স্ত্রী আছে যারা বিয়ের পর ২০ বছর অব্দি শুধুমাত্র রুমমেটের মত একে অপরের সাথে জীবন কাটিয়ে দেয় । তারা কখনো একে অপরের প্রতি ভালবাসা অনুভব করতে পারেনা । রিলেশনশীপ এক্সপার্ট ডক্টর চ্যাপম্যান বলেন, যেমন আমাদের সবার একটি মুখ্য মাতৃভাষা আছে , যে ভাষাটা আমরা ভাল বুঝতে পারি আর বলতে পারি , ঠিক তেমনি আমাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজও আছে । যে ভাষাতে আমরা ভালবাসাটা সবথেকে ভাল অনুভব করতে পারি । আমাদের সবার ভেতরে একটা ইমোশনাল লাভ ট্যাংক থাকে । আমরা আমাদের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসাটা পেলে ওই ট্যাংকটা সবথেকে বেশি ভরে উঠে । আর যখন আমাদের ভালবাসা পাওয়াটা বন্ধ হতে থাকে তখন ধীরে ধীরে এই লাভ ট্যাংক টা খালি হতে থাকে । আর এখান থেকে সম্পর্কতে নানারকম সমস্যা সামনে আসতে থাকে । তাহলে কি করে প্রিয়জনদের এই লাভ ট্যাংক টা কে ভর্তি রাখা সম্ভব সেটা আজ আমি আপনাদের সাথে "Gary Chapman" এর বই "The 5 love language" থেকে শেয়ার করতে চলেছি ।




রিলেশনশীপের এক বা দুই বছর অব্দি আমরা একটা ঘোরের মধ্যে থাকি । আমার জন্য সে হয়তো একদম পারফেক্ট ! আর এই ঘোরের মধ্যে আমরা তার জন্য কিছু এমন কাজও করি যেটা হয়তো করাটা আমাদের আসলেই পছন্দ না । ডক্টর চ্যাপম্যান এই অবস্থাটা “In love state” বলেছেন । কিন্তু যখন রিলেশনশীপ পুরোনো হতে থাকে তখন আমরা আমাদের পারফেক্ট পার্টনারের ঘোর থেকে বাইরে বেড়িয়ে আসতে থাকি । তখন আমাদের নিজের প্রিয়জনের ভালর থেকে দোষটাই বেশি নজরে আসতে থাকে । আর একারনেই দিন দিন সে আমাদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠতে থাকে । যে কারণে রিলেশনশীপের শুরুতে আমরা যে যে জিনিস তার জন্য করতাম তার মধ্য থেকে করা অনেক জিনিসই আস্তে আস্তে করা কমিয়ে দিতে থাকি । যে কারনে লাভ ট্যাংকও খালি হতে থাকে , আর শেষ অব্দি দুজনের মধ্যে বন্ধনটাও দূর্বল হতে থাকে । একটা দীর্ঘমেয়াদী মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, এই “In love state” অবস্থায় এটা একটা সাময়িক অবস্থা মাত্র । যখন এই অবস্থাটার সময়সীমা শেষ হয়ে যায় তখন আমাদের একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয় ‘Real love state ‘ এ ঢুকার জন্য, যার জন্য ৩ টা জিনিস খুবই মনে রাখা দরকার ।

১। Unconditional love

আমাদের সবসময় একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে, যেমনই সিচুয়েশন আসুক, তাতে কখনোই আমি ভালবাসার অভাব হতে দিবনা ।

২। Effort & Discipline

“In love state” সিচুয়েশনে আমাদের “effort” বা “Discipline” এর দরকার হয়না । তখন আমরা একটা ঘোরের মধ্যে থাকি । কিন্তু রিয়েল লাভ সিচুয়েশনে এই দুটো জিনিস খুব ইম্পরট্যান্ট । আমাদের নিজের পার্টনার কে সঠিক উপায়ে বুঝে তাকে ভালবাসা অনুভব করাতে হয় । যার জন্য একটু "Effort" আর "Descipline" এর দরকার পরে ।

৩। Focus on Growth & Development

কি করে রিলেশনশীপ কে আরো বেটার বানানো যায় সেদিকে আমাদের মনোযোগ দিতে হয় । কেননা “Real love state’ এ দুজনের মধ্যে বন্ধন নিজে নিজে স্ট্রং হয়ে যায় না, সেটাকে স্ট্রং বানাতে হয় । এর জন্য সবথেকে যেটা বেশি দরকার সেটা হলো নিজের প্রিয়জনের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ কি সেটা জেনে তাকে সেই ল্যাঙ্গুয়েজে বেশিরভাগ সময়ে ভালবাসা ।

নিজের ৩০ বছরের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে ডক্টর চ্যাপম্যান এই প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ টা বিভাগে ভাগ করেছেন । এর মধ্যে সবার ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Words of Affirmation” । “আরে বাহ! আজতো তোমাকে একদম ফাটাফাটি লাগছে । কি ব্যাপার !” “তুমি কি করে আমায় এতো ভালবাসো ? আমাকেও একটু শেখাও না ।” যে মানুষটির লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “Words of Afirmation” সে সবথেকে বেশি ভালবাসা অনুভব করে যখন প্রিয়জন তার কাজের জন্য বা তাকে কেমন লাগছে তার জন্য কিছু ভাল কমপ্লিমেন্ট দেয় । যেমন “I love You” এর মত word শোনা , কেন ভালবাসে সেটা শোনা । এই ধরনের কথাগুলো তাদের মনে সবথেকে বেশি ভালবাসার অনুভুতি জাগায় ।

এবার আপনি হয়তো বলতে পারেন, “ভাই আমিতো ওর মধ্যে কিছুই ভাল দেখিনা ।” এটা কখনো সম্ভব না যে কোনো মানুষের মধ্যে একটাও কোনো ভাল জিনিস নেই । আরে সে অন্তত রোজ গোসল তো করে । যদি আর অন্য কিছু না থাকে তাহলে এর জন্যই আপনি তাকে ভালবাসতে পারেন । এমন অনেক মানুষ আছে যারা রোজ গোসল করেনা । আপনি একটু মন দিয়ে দেখলে এরকম অনেক ভাল কিছু দেখতে পেয়ে যাবেন ।

“হুম, আচ্ছা মেনে নিলাম যে ভাল কিছু আছে, কিন্তু এই ন্যাকা ন্যাকা কথা বলা আমার একদম পছন্দ না।” তাহলে তো ভাই আপনার জন্য খুবই দূর্ভাগ্যের ব্যাপার । কেননা আপনার পার্টনারের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ যদি এটা হয়, তাহলে শুধুমাত্র এই ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়েই তার লাভ ট্যাংক ভরা যেতে পারে । যদি আপনার কাছে আপনাদের রিলেশনশীপটা সত্যিই গুরুত্বপূ্র্ণ হয় , তাহলে ভাই শিখে নিন প্লিজ, একটা ছোট স্কিল মাত্র । শিখে নিলে ক্ষতি কি !

দ্বিতীয় ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Quality Time” । “আমার জন্যতো তোমার কাছে টাইমই নেই ।” যদি আপনার পার্টনার সবসময় এই অভিযোগটি করে তাহলে হতে পারে তার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “Quality Time” । যার মানে সে আপনার কাছে দিনের মাঝে সামান্য কিছু সময়ের জন্য আপনার অপেক্ষা করে । যেখানে আপনি পুরোপুরি ভাবে শুধু তার সাথে থাকবেন, শুধু তার ব্যাপারেই ভাববেন, তার সাথে কথা বলবেন বা তার সাথে একসাথে কোনো কাজ করবেন । এরকম না যে টিভি দেখতে দেখতে দু চারটে কথা বলে নিলাম, কাল বাজার থেকে কি কিনে আনতে হবে ? না। কোনো মোবাইল না, কোনো টিভি না, জিরো ডিস্ট্রাকশন । শুধু আপনি আর সে দুজনে দুজনের চোখে চোখ রেখে কিছুক্ষণের জন্য শুধু মনের কথাগুলো বলা ।

তৃ্তীয় ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Receiving Gifts”।

“আমার কাছে নিজের জন্যই কিছু কেনার টাকা নেই, আমি কিভাবে তার জন্য গিফট কিনব ?” কে বলেছে যে আপনাকে গিফট কিনতে হয় ? মনে পরে ছোটবেলায় আপনি যখন বাগান থেকে ফুল তুলে এনে আপনার মা কে দিতেন, তখন আপনার মা আপনার হাত থেকে সে ফুলটা পেয়ে কত খুশি হতেন ! যদি আপনার পার্টনারের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ এটা হয় তাহলে আপনি এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য এই টেকনিকটা এপ্লাই করে দেখুন । প্রতি সপ্তাহে যে কোনো বাগান থেকে হোক, যেখান থেকে হোক, কিছু ভিন্ন ধরনের ফুল সংগ্রহ করে তাকে গিফট করুন । আর বলুন, “আমার তরফ থেকে তোমার জন্য একটা ছোট্ট উপহার এটা ।” দেখবেন সে এইটুকুতেই কতটা খুশি হয় ।

চতুর্থ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Acts of Service” ।

“আজ তোমার জন্য আমি চা বানাবো, তুমি শুধু চিনিটা বেশি হলে বলো” । যার লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ এটা হয় সে তখনি সবথেকে বেশি খুশি হয় যখন তার প্রিয়জন তার কোনো কাজে সাহায্য করে । “দাও তো দেখি আজ এ কাজটা আমি তোমার জন্য করি ” । মানে যখন কেউ তার রেসপন্সিবিলিটিজ গুলো কিছু বলার আগেই নিজেই নিজের সাথে শেয়ার করে নেয় । যেমন, ঘরের কাজে সাহায্য করা, বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া । “আচ্ছা, তারমানে এখন আমায় বাসনও মাজতে হবে” – অসম্ভব ! যদি এই কথাগুলো শোনার পর যদি এটা আপনার রিএকশন হয়, তাহলে আমি আপনাকে একটা ছোট্ট গল্প শোনাতে চাই ।

“একদিন রাতে খাওয়ার সময় ডক্টর চ্যাপম্যানের স্ত্রী তিনিকে বলেন, দেখো জানালাগুলোর উপর কি ময়লা জমে গেছে । ডক্টর চ্যাপম্যান সেদিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় শুধু বলেন “হুম” । আর তারপর আবার উনি মাথা নামিয়ে নিজের খাবার খেতে শুরু করে দেন । পরেরদিন সকালে যখন উনার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে সেখান যান তখন উনি দেখেন ডক্টর চ্যাপম্যান সেখানে জানালাগুলো পরিস্কার করার চেষ্টা করছেন । এসব দেখে উনার স্ত্রী উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা তুমি কি করছো? ডক্টর চ্যাপম্যান উত্তর দেন, কিছুনা, এই একটু ভালবাসা প্রদানের চেষ্টা করছিলাম আর কি ! এই কথাটা শুনে উনার স্ত্রী খুশিতে কেদে ফেললেন । আর সে ডক্টর চ্যাপম্যান কে বলেন, তুমি জানো? তুমি এই পৃ্থিবীর সবথেকে ভাল স্বামী!

এবার বলুন, আপনি কি বাসন মাজবেন ?

পঞ্চম ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Physical Touch” ।

না না ভাই, খারাপ দিকের কথা বলছি না । মনে আছে ছোটবেলায় যখন সারাদিন পর আপনার বাবা অফিস থেকে বাড়ি ফিরত, আর আপনি ছুটে গিয়ে আপনি হাত দিয়ে উনাকে জরিয়ে ধরার চেষ্টা করতেন ! এখানে সেই ফিজিক্যাল টাচের কথা বলা হচ্ছে । ফিজিক্যাল টাচ কে খুবই পাওয়ারফুল লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে মনে করা হয় । এটা এতোটাই পাওয়ারফুল, একটা ছোট্ট শিশু যে কিনা কোনো ল্যাঙ্গুয়েজই বুঝেনা, সেও এই ল্যাঙ্গুয়েজটা কে অনুভব করতে পারে । চুমু দেয়া, সুরসুরি দেয়া, এইসব জিনিস থেকে সে ভালবাসার অনুভুতি পায় । বড়দের জন্য ভালবাসা অনুভব করানোর জন্য ঠিক এরকমই কিছু জাদুর মত কাজ করে ।

ঠিক যেমন নিজের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসা পেলে নিজের লাভ ট্যাংক সবথেকে বেশি ভরে উঠে, তেমনি নিজের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজের নেগেটিভ কিছু পেলে সে সেই মানুষটির লাভ ট্যাংক তত তাড়াতাড়ি খালি হতে থাকে । যেমন যার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “words of affirmation”, তাকে কথায় কথায় ইনসাল্ট করা । যার প্রাইমারী ল্যাঙ্গুয়েজ ‘Physical Touch”, তার উপর কোনো কারণে হাত তোলা । এইসব জিনিসগুলো তাদের ক্ষেত্রে রিলেশনশীপের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে ।

এবার প্রশ্ন হলো, “কোনো মানুষের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটি কি সেটা কিভাবে জানা সম্ভব”? এর জন্য আপনাকে একটু মন দিয়ে অবজার্ভ করতে হবে । যখন সেই মানুষটা খুশি হয়, ভালবাসা প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তখন সে কোন ল্যাঙ্গুয়েজটা সবথেকে বেশি ব্যবহার করে ? কেননা উনার যে ল্যাঙ্গুয়েজটা সবথেকে বেশি পছন্দ, যে ল্যাঙ্গুয়েজে উনি সবথেকে বেশি কমফোরটেবল, উনি বেশির ক্ষেত্রেই সেই ল্যাঙ্গুয়েজেই অপরকে ভালবাসা দেয়ার চেষ্টা করেন । যদি আমি কাউকে ভালবাসি তো সর্বাধিক আমার যে জিনিসটা পছন্দ, আমি তাকে সেই জিনিসটাই বেশি দেয়ার চেষ্টা করব । তো এভাবেই আপনি জানতে পারেন ।

ডক্টর চ্যাপম্যানের মতে লাখের মধ্যে একটা কেইস এরকম হয় যেখানে দুজন লাইফ পার্টনারের লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ একই রকমের হয় । কিন্তু যদি একটা সুস্থ স্বাভাবিক, দীর্ঘমেয়াদী, হ্যাপী রিলেশনশীপ পেতে হয়ে হয় তাহলে একে অপরের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসা প্রদান করাটা খুবই দরকার । হ্যা তবে শুধু এরকম না যে শুধু প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজেই ভালবাসতে হবে ! বাকি চারটি ল্যাঙ্গুয়েজও মাঝে মাঝে ইউজ করা দরকার । কিন্তু সবথেকে বেশি প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটা ব্যবহার করা জরুরী । কেননা সেটা ছাড়া লাভ ট্যাংক কখনো পুরোপুরি ভর্তি হবেনা । ঠিক যেমন ভালবাসার অনুভুতিটা এই পৃ্থিবীর সবথেকে ভাল অনুভুতিগুলোর মধ্যে একটা , তেমনি ভালবাসা না পাওয়ার অনুভুতি এই পৃ্থিবীর সবথেকে কষ্টদায়ক অনুভুতিগুলোর মধ্যে একটা । এজন্য আমাদের সবার “The 5 Love Language” এর ব্যাপারে জানা খুবই জরুরি । আর এই কারনে আপনার কাছে আমার একটা ছোট্ট রিকুয়েস্ট, এই লেখাটি আপনি আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সুযোগ করে দিন এই ‘5 love language’ সম্পর্কে জানার জন্য । কারণ যাতে শুধু আপনি নন, বরং তারাও আপনার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটাকে চিনে সেই ল্যাঙ্গুয়েজে আপনাকে ভালবাসা প্রদান করে । আর আমরা সবাই একটা শান্তিপূর্ণ রিলেশন গড়তে পারি ।

যদি এই লেখাটুকু আপনার জীবনে একটু হলেও উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই আপনার ভাললাগার একটা চিহ্ন রেখে যাবেন এই পোষ্টে । আবারো দেখা হবে । ততক্ষন অব্দি সবাই ভাল থাকবেন ।




0

লুঙ্গি নিয়ে আমার যত কষ্ট

সবাই লুঙ্গি নিয়ে অতিমাত্রায় মাতামাতি করছে দেখে আমারও ইচ্ছা হইল লুঙ্গি নিয়া নিজের সত্য ঘটনা প্রকাশ করার। জাতীয় জীবনের অপরিসীম নিত্য প্রয়োজন, পরিবেশ বান্ধব লুঙ্গি নিয়ে আছে আমার ছোট ছোট অনেক স্মৃতি। প্রথমেই আসি মুসলমানির গল্পে। 




আমার জীবনের প্রথম লুঙ্গিখানা পাইয়াছিলাম আমার মুসলমানির দিনে। লুঙ্গি পাইয়াছিলাম বটে, তবে কতখানি কি হারাইয়াছিলাম তাহা পাঠক অমুমান করিতে পারিতেছেন নিশ্চই। যাইহোক, মুসলমানির পরে প্যান্ট, পায়জামা পড়ার মত বিরম্বনা দ্বিতীয়টা আর নাই। লুঙ্গিই একমাত্র ভরসা। একে গরমের দিনে মুসলমানি করাইয়াছে, তাহার উপরে কাটা স্থানে যন্ত্রনা। আমি ছোটমানুষ, বাতাস যেদিক থেকে আসে, সেদিকেই লুঙ্গি উত্তলন করিয়া দাড়াইয়া থাকতাম, আমার ডোরাকাটা ছাপের সেই ঐতিহাসিক লুঙ্গি, আমার মুসলমানির সুখ। 

গ্রামের বাড়িতে গ্রীষ্মকালীন অবকাশে আম-কাঠাল খাইবার সিজনে বেড়াইতে যাইতাম সব কাজিনরা মিলিয়া। সেই সময়ে খালে-পুকুরে নতুন জোয়ার আসিত। যেহেতু আমার কোন স্বীয় লুঙ্গি ছিল না, আমি দাদার একখানা লুঙ্গি কোমরে গিঁট মারিয়া খালের নব যৌবন জোয়ারের জলে ঝাপাইয়া পড়িতাম। একদিন দেখা গেলো সকলের সহিত লাফ ঝাপ চলিতেছে। আমরা সকলেই আধাবেলা পানি ঘোলা করিয়া, চক্ষু রক্ত বর্ণ করিয়া ডাঙ্গায় উঠিয়া গেলাম। দুপুরে মাছের মাথা, গরুর দুধে হেব্বি লাঞ্চ করিয়া খালপারে যাইয়া দেখি আমার এক কাজিন তখনো পানিতে গলা ডুবাইয়া দাঁড়াইয়া আছে। ভাবিলাম তাহাকে জ্বিন-ভুতে ধরিয়াছে। ডাকিয়া চিক্কুইর পাইরা বাড়িসমেত লোক জড় করাইলাম তাহাকে জ্বিন ভূত হইতে উদ্ধার করাইতে। সবশেষে জানিতে পারিলাম, আমার কাজিন পানির নিচে তাহার লুঙ্গি হারাইয়াছে, লজ্জাস্থান ঢাকিবার উপযুক্ত কিছু না পাওয়াতে ডাঙ্গায় উঠিতে পারিতেছে না। 

স্কুল কলেজে পড়ি। প্রায় রাতেই বই পড়তে পড়তে ফুলপ্যান্ট পড়িয়াই ঘুমাইয়া যাইতাম। সকাল বেলায় ঘুম হইতে উঠিয়া দেখিতাম কোনদিন আমার পড়নে লুঙ্গি, আবার কখনো নিজেকে বস্ত্রশূন্য আবিস্কার করিতাম। এখানে গায়েবী কোন ব্যাপার নাই, রাত্রে আব্বা আসিয়া লুঙ্গি পড়ায় দিয়া যাইতেন, আর লুঙ্গির গিঁট খুলিয়া সকালে আবিস্কার করিতাম তাহা আমার গলায়, নয়ত আমার আশেপাশেই নাই। 

আমার এক বন্ধু ছিল। স্কুল এবং কলেজ লাইফের জিগ্রি বন্ধু। একদিন সে আসিয়া আমার কানে কানে বলিল, "দোস্ত তোকে একখানি গোপন কথা কহিব, কথা দে কাউকে জানাইবি না।" আমাকে সমস্ত বস্তুর কসম কাটাইয়া সে বলিল, "দোস্ত আমাদের বাড়িতে যে ফজলি আমের রাছ রহিয়াছে, প্রাতঃবেলায় আমি ঘুম থেকে উঠিয়া সেই গাছের ডালে ঝুলিয়া শরীরচর্চা করিতেছিলাম, ঠিক সেই মুহূর্তে আমার লুঙ্গির গিঁট লুজ হইয়া খুলিয়া গিয়াছে, দোস্ত ব্রেকিং নিউজ আমার লুঙ্গির নিচে কিছুই ছিল না।" আমি দেখিলাম এহেন কান্ডে আমার বন্ধুটি ব্যাপক খুশি। আবার জিজ্ঞেস করিলাম, এতে এত খুশি হওয়ার কি আছেরে বেক্কেল? সে একচোট হাসিয়া লইল, অতঃপর কহিল, "আমাদের পাশের বাসায় সুন্দরী এক ভাবি থাকে দেখছিস? সেই ভাবি ওই সময়ে জানালা দিয়া আমার তালব্য-শ অবলোকন করিতেছিল।" 

লুঙ্গির গিঁট দুর্বল, পুরুষের জন্যে লজ্জা। এমন সময় আছে দুষ্টামি করিয়া বন্ধুর লুঙ্গিতে টান মারিয়াছি, খোলা রাজপথে উহা খুলিয়া পথচারীদের আন্ডারগ্রাউন্ড দেখাইয়া দিয়াছে। কখনো কাল বৈশাখীর আবার বাতাসে দেখিয়াছি কাহারো লুঙ্গি উঠিয়া মাথায় বাঁধিয়াছে, পশ্চাতে নিতম্বের দুইভাগ। কিছুদিন আগেই তো বলিয়াছি নামাজ পড়তে গিয়া সিজদাহ হইতে উঠিতে যাইয়া কতকাল সাম্নের ব্যাক্তির লুঙ্গির ভিততে মাথা ঢুকিয়া গিয়াছে ইয়াত্তা নাই। কতকাল গাছে উঠিয়া খুলিয়া গেছে লুঙ্গির গিঁট। 

এই লুঙ্গিতে জড়িয়ে আছে আমাদের শৈশব, কৈশোর। লুঙ্গিতে লুকিয়ে আছে কত সুখের স্মৃতি। কত রাতের সঙ্গী এই লুঙ্গি। আজ কালের বিবর্তনে লুঙ্গির অভাবে আমিও হাফপ্যান্ট পড়ি, তাই বলে লুঙ্গি নিষিদ্ধ হওয়ার কথা শুনে ব্যথিত না হওয়ার মত পাষাণ নই আমি। সবশেষে সবাই চলুন একটা ভাবসম্প্রসারন করি, 

"ফিরায়ে দাও আমার লুঙ্গি

লও এই ইংলিশ প্যান্ট।"


Social Time

Facebook
Like Us
Google Plus
Follow Us
Twitter
Follow Us
Pinterest
Follow Us

Subscribe to our newsletter

(Get fresh updates in your inbox. Unsubscribe at anytime)